skip to Main Content

কেমন হবে মহাকাশের সেই কৃত্রিম চাঁদ, শুনুন চীনা বিজ্ঞানীদের মতামত

চিনদেশের দক্ষিণপশ্চিমের সিচুয়ান প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত এক শহর, নাম চেংদু, যার বিদ্যুতের বিল মেটাতে সরকারের বাৎসরিক বহুলক্ষ টাকা খরচ হয়। রাত্রিবেলা রাস্তার সমস্ত আলো নিভিয়ে দিলেও চাঁদের আলোয় খুব সামান্যই দেখা যায়। সেই চাঁদের আলোয় কিঞ্চিৎ অসুবিধে হতে পারে সাধারণ মানুষের, কিন্তু বিদ্যুতের বিলের তো খরচ কমানোর দরকার। তাই অনেক ভেবে চৈনিক বিজ্ঞানীরা একটা আস্ত চাঁদকেই বানিয়ে ফেলার পরিকল্পনা করলো। সেই কৃত্রিম চাঁদ অনেকবেশি আলো দেবে রাত্রিবেলা। শুনে অবাক হচ্ছো ছোটবন্ধুরা!!! আধুনিক পৃথিবীর চৈনিক বিজ্ঞানীদের এরকমই ঔদ্ধত্য। সি সিনপিং সরকারের সিলমোহর পড়তে বেশি অসুবিধে হয়নি  

যেমন ভাবা , তেমন কাজ। 2020 সালের মধ্যে প্রজেক্ট শেষ করতে হবে। প্রোজেক্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা টিয়ান ফু নিউ এরিয়া সায়েন্স সোসাইটির প্রধান . চুংফেন এর বক্তব্য, এই কৃত্রিম চাঁদ, বাৎসরিক 170মিলিয়ন ডলার বিদ্যুৎ খরচ সাশ্রয় করবে, 50বর্গ কিমি চেংদু শহরের জন্য।

রকেটের সাহায্যে কৃত্রিম উপগ্রহের ন্যায়, বৃহৎ আলোক প্রতিফলককে মহাকাশে প্রতিস্থাপন করা হবে। সেই প্রতিফলক, মহাজাগতিক আলোকরশ্মি কে প্রতিফলন করে পৃথিবীতে পাঠাবে, যা রাত্রিবেলা চাঁদের তুলনায় ৮গুন বেশি আলো দেবে। সেই কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে আগত আলোকরশ্মি, ভূমিকম্প বা বন্যার মতন কোনোরকম প্রাকৃতিক বিপর্যয় দ্বারা বিঘ্নিত হবেনা। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে, সামান্য বিঘ্ন ঘটতে পারে।

এবার ছোট্টবন্ধুরা, একটু সহজ ভাষায় বুঝে নেওয়া যাক, এই কৃত্রিম চাঁদ কিভাবে নির্মিত হবে!! সেই কৃত্রিম চাঁদ তৈরী হবে কিছু আলকীয় দর্পন নিয়ে, যাদের কাজ হবে সূর্য থেকে আসা আলোকরশ্মিকে প্রতিফলিত করে পৃথিবীতে পাঠানো, যেটা সত্যিকারের চাঁদ করে থাকে সেই কৃত্রিম চাঁদকে রকেটের সাহায্যে, এস্কেপ ভেলসিটিতে উৎক্ষেপণ করে পার্কিং অরবিটে বসিয়ে দেওয়া হবে। রকেট আকাশে উড়তে থাকে এক আশ্চর্য প্রযুক্তিতে ফিজিক্সের নিয়ম অনুসারে, রকেট থেকে নির্গত গ্যাস, রকেটের সাপেক্ষে জিরো রিলেটিভ ভেলোসিটিতে, রকেট থেকে নির্গত হয়, যা রকেটের উপর এক প্রবল প্রতিক্রিয়া বল তৈরি করে নির্গত গ্যাসের ইজেকশন ভেলোসিটি যদি ইউনিফর্ম হয়, তখন প্রতিক্রিয়া বল রকেটকে ওপরে উঠতে সাহায্য করেতারপর সেই চাঁদ জিওস্টেশনারি স্যাটেলাইট হিসেবে একুয়েটর প্লেনের সার্কুলার পথে পৃথিবীর ডাইউর্ণাল মোশানের সাথে সাথে ঘুরতে থাকবে

আমাদের সত্যিকারের চাঁদ, ভূপৃষ্ট থেকে 3,80,000কিমি দূরত্বে আছে, কিন্তু কৃত্রিম চাঁদকে মাত্র 500কিমি দূরত্বে চেংদু শহরের উপর, ভুসমলয় উপগ্রহের ন্যায় স্থাপন করা হবে। আরো দুই সংস্থা হারবিন ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি এবং চীনা এরোস্পেস সায়েন্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন এই প্রজেক্টের সাথে যুক্ত। যদিও বিজ্ঞানীরা এই কৃত্রিমচাঁদের কিছু ক্ষতিকারক প্রভাব, মানব শরীরের বিপাকীয় প্রক্রিয়া বা নিদ্রার উপর কি হতে পারে তা নিয়ে সন্দিহান। তবুও আধুনিক পৃথিবীর এইসব চীনা বিজ্ঞানীদের ঔদ্ধত্য, মানুষকে চমকে দেবার পক্ষে যথেষ্ট

Courtesy: The China Daily Newspaper

 

 [The article was written to inculcate acumen for Physics subject towards the NEET & JEE-MAIN students from class-XI science background. The topic involved with the chapters’ i.e, Gravitation, Kepler’s Laws of planetary motion, Escape velocity, Geostationary Satellites & Newton’s Laws of Motion for +2level Physics subject]

 

Author: Prof. S Moitra (Formerly Asst. Professor of a Reputed South Kolkata based engineering College and Physics faculty of Aims Institute Barrackpore)

[Disclaimer: Views expressed above are the author’s own.]

 

Tag: NEET & JEE-MAIN, class-XI science,+2level physics, Barrackpore, Aims Institute Barrackpore, Physics

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back To Top