সৃষ্টি ড্যান্স একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ইন্দ্রানী গাঙ্গুলির ব্যবস্থাপনায় মহানায়ক উত্তমকুমার স্মরণে ৩১ জুলাই কলকাতার পার্ক প্রাইম হোটেলে একটি মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান আয়োজিত হল। ‘আজও উত্তম’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানায়কের সাথে বিভিন্ন চলচিত্রে অভিনয় করা অভিনেত্রী মাধবী মুখার্জি, লিলি চক্রবর্তী এবং তপতি ভট্টাচার্যের মতো কিংবদন্তি চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব।
এছাড়া এদিন উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুগ্ম রাজস্ব কমিশনার
এবং অন্তর্জাতিক আলোকচিত্র শিল্পী অনুপম হালদার, অভিনেতা শঙ্কর ঘোষ, সাধন বাগচী, এবং সতীনাথ মুখোপাধ্যায়। এছাড়াও বহু উত্তম-অনুরাগীদের উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠান অন্য মাত্রা পায়।
অনুষ্ঠানটি ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তি, বিশেষভাবে সক্ষম শিশু এবং অ্যাসিড আক্রমণের শিকার ব্যক্তিদের সমর্থনে অনুষ্ঠিত হয়। তাদের সাহস, মর্যাদা এবং তাদের প্রতিদিনের পথচলাকে সম্মান জানায়।
অনুষ্ঠানের বিষয়ে অনুপমবাবু জানান, শৈশবে স্কুলে পড়ার সময়ে উত্তম কুমারের অভিনীত ছবি দেখে বড়ো হওয়া। পাড়ার আড্ডায় তাঁর অনুকরণ করার চেষ্টা করেছি বন্ধুদের সামনে। উনি তো শুধু মহানায়ক নন। উনি বাঙালির জীবনে ওতোপ্রতো ভাবে জড়িত। তাঁর অভিনীত ছবি দেখে বাঙালি অন্য ধারায় ভাবতে শিখেছে। তিনি জানান ফটোগ্রাফার হিসেবে বহুবার তিনি লক্ষ্য করেছেন বাঙালি পুরুষেরা এখনো ছবি তোলার সময় মহানায়কের মত ভঙ্গিমায় ক্যামেরার দিকে তাকান।
অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা ইন্দ্রানী গাঙ্গুলী বলেন, শুধু বাংলা চলচ্চিত্র নয় সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে তিনি যে ভালোবাসা পেয়েছেন তা অভাবনীয়। যে সময় টুকু বাংলা চলচ্চিত্র জগতে তিনি ছিলেন সেই ক্ষনস্থায়ী সময়ে মহারাজের আসনে বিরাজ করেছেন। বাংলা চলচ্চিত্র যত দিন স্বমহিমায় থাকবে তিনিও মহানায়কের আসনে থাকবেন।
এদিন উপস্থিত ব্যক্তিত্বদের কথায় উঠে আসে একটাই উপসংহার- বাঙালি মননে উত্তমকুমারের উপস্থিতি চির-প্রাসঙ্গিক।

